কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরীফে হামলা ও সুফি সাধক শামীম আল জাহাঙ্গীরের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন এলাকাবাসি।
আমাদের দেশে বিভিন্ন আকিদার মানুষ বসবাস করে এবং করবে। তবে আমার বিশ্বাসের(আকিদা)এর সাথে না মিললে আমি কি তাকে হত্যা করবো?তার দরবার শরীফ কি পুড়িয়ে দেবো?
তথাকথিত তৌহিদী জনতার নামে একদল ধর্ম মাতাল ধর্মের নামে দেশে হত্যাকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
কিছু রাজনৈতিক নেতা এই ধর্ম মাতালদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
বুর্জোয়া শাসকগোষ্ঠী মানুষকে ধর্মান্ধ রাখতে চায়। মানুষের মাঝে গনতান্ত্রিক ও যুক্তিবাদী চেতনার বিস্তার ঘটাতে চায় না। ফলে, যারা ধর্মীয় আলোচনার নামে মানুষের মাঝে ধর্মীয় বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা ছড়ায় রাষ্ট্র ও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের একটি কথা আছে–মানুষকে দিয়ে পশুর কাজ করাতে হলে তাকে পশুর স্তরে নামিয়ে দিতে হয়।এই কাজটি পূঁজিবাদী-মৌলবাদী শাসকগোষ্ঠী গত ৫৪ বছর ধরে করে যাচ্ছে। ফলে তৌহিদী জনতার ভোটে কিছু জঙ্গিও সংসদে যাচ্ছে।
তাই এখন প্রয়োজন এদের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ও প্রতিরোধ। তবে সভ্যতা কখনো পেছনে যেতে পারে না। এটি বাস্তব,এই ঘৃন্য মধ্যযুগীয় অপশক্তির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী।
সুফি সাধক শামীম আল জাহাঙ্গীর সব সময় আধ্যাত্বিক ভাষায় কথা বলতেন। আধ্যাত্বিক ভাষায় কথা বলা টা কি তার অপরাধ?
এই দেশে থেকে সুফি সাধকদের নির্মূল করতে চলেছে জঙ্গি গোষ্ঠী!


